প্যারোল মেলেনি বাবার: জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
রাজনীতি, ক্ষমতা আর মামলার বেড়াজালে অনেক সময় মানবিকতা কতটা অসহায় হয়ে পড়ে, তার এক করুণ ও মর্মস্পর্শী সাক্ষী হয়ে রইল যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটক। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সেখানে এমন এক দৃশ্য দেখা গেল, যা উপস্থিত পুলিশ সদস্য থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের চোখেও জল এনে দিয়েছে। বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক মামলায় বন্দি এই নেতা প্যারোল (সাময়িক মুক্তি) পাননি। ফলে স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ও ৯ মাসের শিশু সন্তান সেজাদ হাসান নাজিফের জানাজায় অংশ নেওয়া হয়নি তাঁর। শেষবারের মতো প্রিয়জনদের বিদায় জানাতে জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখার জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে লোহার গেটের ওপারেই।
৫ আগস্টের পর থেকেই কারাগারে ছিলেন সাদ্দাম। স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা বারবার চেষ্টা করেছিলেন স্বামীকে জামিনে মুক্ত করে আনার। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। অসহ্য অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা আর চরম মানসিক চাপের ভেতর ৯ মাসের শিশুকে বুকে নিয়েই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন কানিজ সুবর্ণা। আর এই ট্র্যাজেডির শেষ দৃশ্যটি মঞ্চস্থ হলো শনিবার সন্ধ্যায়, যখন অ্যাম্বুলেন্সে করে জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ নিয়ে আসেন স্বজনরা।
জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ: এক বাবার বোবা কান্না
শনিবার সন্ধ্যা তখন প্রায় সাড়ে ৭টা। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে এসে থামে একটি সাদা অ্যাম্বুলেন্স। ভেতরে দুটি নিথর দেহ—একটি মায়ের, অন্যটি তার কোলের শিশুর। অপেক্ষার প্রহর শেষে কারাগারের ভেতর থেকে ধীর পায়ে বেরিয়ে আসেন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। পরনে কয়েদির পোশাক, চোখেমুখে রাজ্যের ক্লান্তি আর অবিশ্বাস। তিনি জানতেন না, তার জন্য বাইরে কী অপেক্ষা করছে।
কারা কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমতিতে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খোলা হয়। সাদ্দাম যখন অ্যাম্বুলেন্সের দিকে তাকালেন, তখন তার সামনে শুয়ে আছে স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা (২২) আর শিশুপুত্র নাজিফ। যে সন্তানকে তিনি কখনো কোলে তুলে নিতে পারেননি, যার জন্মের সময় তিনি ছিলেন কারাগারে, সেই সন্তানকে আজ প্রথমবার দেখলেন। কিন্তু হায়! এ দেখা আনন্দের নয়, জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখার এই দৃশ্য ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী দৃশ্যগুলোর একটি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খোলার পর জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাদ্দাম। লোহার গ্রিলের এপার থেকে বাবার সেই আর্তনাদ সেখানকার বাতাস ভারী করে তোলে। তিনি চিৎকার করে স্ত্রীকে ডাকছিলেন, সন্তানকে ছুঁতে চাইছিলেন। কিন্তু কারাবিধির কঠোর নিয়ম তাকে স্পর্শ করতে দেয়নি প্রিয়জনদের। মাত্র কয়েক মিনিটের দেখাতেই শেষ করতে হয় বিদায়পর্ব। এরপর আবার তাকে ফিরিয়ে নেওয়া হয় অন্ধকার প্রকোষ্ঠে, আর লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স রওনা দেয় বাগেরহাটের পথে। উপস্থিত জনতা অশ্রুসজল চোখে সাক্ষী হলেন, কীভাবে একজন বাবাকে জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখে বুকভরা হাহাকার নিয়ে ফিরে যেতে হয়।
নেপথ্যের ঘটনা: কেন এই চরম পরিণতি?
এর আগে শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেকডাঙ্গা গ্রামে ঘটে যায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনা। জুয়েল হাসান সাদ্দামের নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ও শিশু সন্তান নাজিফের মরদেহ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় কানিজ সুবর্ণাকে। আর মেঝেতে পড়ে ছিল ৯ মাসের শিশু নাজিফের নিথর দেহ। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে প্রথমে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে মা আত্মহত্যা করেন।
প্রতিবেশীরা জানান, দুপুরের দিকে সাদ্দামের বাড়িতে কোনো সাড়া না পেয়ে তারা খোঁজ নিতে যান। পরে জানালা দিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনরা সিদ্ধান্ত নেন, দাফনের আগে অন্তত একবার বাবাকে দেখানোর ব্যবস্থা করবেন। সেই উদ্দেশ্যেই তারা অ্যাম্বুলেন্সে করে জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ নিয়ে যান যশোরের পথে।
জামিন না মেলায় জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখার করুণ পরিণতি
কেন এমন চরম পথ বেছে নিলেন কানিজ সুবর্ণা? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে আসছে দীর্ঘ হতাশা আর অনিশ্চয়তার গল্প। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জেরে গ্রেপ্তার হন ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম। সেই থেকে তিনি কারাগারে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর মুক্তির জন্য গত দেড় বছর ধরে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন কানিজ সুবর্ণা। একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও প্রতিবারই তা নামঞ্জুর হয়েছে। ছোট শিশুটিকে নিয়ে একলা মায়ের এই সংগ্রাম তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। সাদ্দামের শ্যালক শুভ বলেন, “আমার বোন খুব চাপা স্বভাবের ছিল। দুলাভাই জেলে যাওয়ার পর থেকে সে খুব হতাশায় ভুগছিল। একদিকে ছোট বাচ্চা, অন্যদিকে স্বামীর মামলা—সব মিলিয়ে সে আর নিতে পারছিল না। আমরা তাকে অনেক বুঝিয়েছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে হার মেনে গেল।”
স্বজনদের ধারণা, স্বামীর জামিন না হওয়া এবং ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা থেকেই তিনি প্রথমে সন্তানকে হত্যা করে এবং পরে নিজে আত্মহননের পথ বেছে নেন। আর এই আত্মহনন শেষ পর্যন্ত সাদ্দামকে দাঁড় করাল এক নির্মম বাস্তবতার সামনে—যেখানে জীবিত পরিবারের বদলে জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ তার একমাত্র সম্বল।
জন্মের পর প্রথম দেখা, তাও জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ হিসেবে
এই ট্র্যাজেডির সবচেয়ে করুণ অধ্যায়টি হলো শিশু নাজিফকে ঘিরে। সাদ্দাম যখন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান, তখন কানিজ সুবর্ণা অন্তঃসত্ত্বা। সাদ্দাম জানতেন তার সন্তান পৃথিবীতে আসছে, কিন্তু সেই সন্তানের মুখ দেখার সৌভাগ্য তার হয়নি।
কারাগারে বসেই তিনি খবর পেয়েছিলেন ছেলের জন্মের। চিঠিতে বা স্বজনদের মাধ্যমে নাম রেখেছিলেন ‘সেজাদ হাসান নাজিফ’। স্বপ্ন ছিল জামিনে মুক্তি পেয়ে ছেলেকে কোলে তুলে নেবেন, বুকে জড়িয়ে ধরবেন। তার চোখের সামনে সন্তান বড় হবে। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে, বাবা ও ছেলের প্রথম এবং শেষ দেখা হলো মৃত্যুর মিছিলে। তুলতুলে শরীর, মায়াবী চোখের জীবিত শিশুটিকে নয়, সাদ্দাম দেখলেন তার প্রাণহীন দেহ।
এএকজন বাবার জীবনে এর চেয়ে ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন আর কিই-বা হতে পারে! সাদ্দাম হয়তো ভেবেছিলেন কারাগার থেকে বেরিয়ে ছেলের জন্য খেলনা কিনবেন, কিন্তু এখন তার স্মৃতিতে আমৃত্যু গেঁথে থাকবে জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখার সেই বিভীষিকাময় মুহূর্ত। কাজল দেওয়া ফুটফুটে শিশুটি আজ নিথর, মায়ের বুকেই চিরঘুমের দেশে।
প্যারোল মেলেনি, তাই জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখেই বিদায়
স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর সাদ্দামের পরিবার আশা করেছিল, অন্তত জানাজা ও দাফনের জন্য তাকে কয়েক ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হবে। মানবিক দিক বিবেচনায় এটি ছিল খুবই প্রত্যাশিত। পরিবারের পক্ষ থেকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের কাছে প্যারোলের আবেদনও করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।
তবে আইনি জটিলতা ও এখতিয়ার বহির্ভূত হওয়ার কারণে সেই আবেদন আলোর মুখ দেখেনি। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক জানান, যেহেতু সাদ্দাম যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি, তাই প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি যশোর জেলা প্রশাসনের এখতিয়ারভুক্ত। অন্যদিকে, যশোর কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বিধি মোতাবেক যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন না পৌঁছানোয় এবং সময়স্বল্পতার কারণে প্যারোল মঞ্জুর করা সম্ভব হয়নি।
প্রশাসনের এই দীর্ঘসূত্রিতা বা আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে সাদ্দাম তার স্ত্রী ও সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত স্বজনরা বাধ্য হয়ে জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ নিয়ে যান, যাতে অন্তত এক নজর দেখা সম্ভব হয়। প্রশাসনের এই ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলেছেন, একজন মানুষ তার স্ত্রী ও সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে পারবে না—আইন কি এতটাই অন্ধ? মানবিকতা কি আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারত না?
মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া
এদিকে, এই ঘটনাকে নিছক আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ কানিজ সুবর্ণার বাবা রুহুল আমিন। তিনি বাদী হয়ে শনিবার রাতে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
রুহুল আমিন অভিযোগ করেন, “আমার মেয়ের মৃত্যুর পেছনে রহস্য আছে। সে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে হয়তো মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে অথবা হত্যা করা হয়েছে।”
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “আমরা একটি হত্যা মামলা ও একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করেছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে।” তবে মামলার তদন্ত বা ফলাফল যা-ই হোক না কেন, জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখার যে ট্রমা সাদ্দাম এবং তার পরিবারের ওপর দিয়ে গেল, তা কোনো আইনি পদক্ষেপে মোচন করা সম্ভব নয়।
শেষ বিদায় ও দাফন
যশোর থেকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স বাগেরহাটে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাবেকডাঙ্গা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে জানাজা শেষে মা ও ছেলেকে পাশাপাশি দাফন করা হয়। শত শত গ্রামবাসী অশ্রুসজল চোখে তাদের বিদায় জানান। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অনেকেই আক্ষেপ করেছেন—যে মা তার সন্তানকে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারতেন না, মৃত্যুর পরও তারা একসঙ্গেই রইলেন।
গ্রামের মানুষ যখন মা ও শিশুকে কবরে শায়িত করছিলেন, তখন অনেক দূরে যশোর কারাগারে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছিলেন সাদ্দাম। যার চোখের সামনে তখনো ভাসছিল জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ। জানাজায় অংশ নিতে না পারার কষ্ট আর স্বজন হারানোর বেদনা তাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিল।
মানবিকতার প্রশ্নে আমাদের অবস্থান
জুয়েল হাসান সাদ্দাম কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা হতে পারেন, তার বিরুদ্ধে মামলা থাকতে পারে, বিচারিক প্রক্রিয়ায় তার সাজাও হতে পারে। কিন্তু দিনশেষে তিনি একজন স্বামী এবং একজন বাবা। স্ত্রী ও সন্তানের বিয়োগব্যথা একজন মানুষের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বোঝা।
জেলগেটে ওই ৫ মিনিটের দৃশ্যটি আমাদের সমাজের মানবিকতার দিকে এক বড় প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা মামলার গুরুত্ব কি এতটাই বেশি যে, একজন মানুষকে তার পরিবারের শেষ বিদায়েও সামিল হতে দেওয়া যায় না? নাকি আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই দিয়ে আমরা দিন দিন রোবটের মতো অনুভূতিহীন হয়ে পড়ছি? জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখার মতো পরিস্থিতি যেন আর কোনো বাবার জীবনে না আসে, সেটাই এখন সকলের কাম্য।
কানিজ সুবর্ণা আর ছোট্ট নাজিফ হয়তো আর ফিরবে না, কিন্তু তাদের এই মৃত্যু আমাদের বিচার ব্যবস্থা, কারা আইন এবং মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে নতুন করে ভাবার অবকাশ রেখে গেল। সাদ্দামের এই অপূরণীয় ক্ষতি এবং জেলগেটে স্ত্রী সন্তানের লাশ দেখার স্মৃতি কেবল একটি রাজনৈতিক গল্প নয়, বরং এটি ভেঙে পড়া জীবনের এক করুণ দলিল।
Comments
Post a Comment