S

সবএক

সব তথ্য এক ঠিকানায়

Loading...
🔴 সবস্বাগত আমাদের পোর্টাল! সর্বশেষ প্রযুক্তির খবরের জন্য সাথে থাকুন। 🔴 ব্রেকিং: নতুন স্মার্টফোন বাজার এসেছে! 🔴 সর্বশেষ আপডেটের জন্য আমাদের সোশ‍্যাল মিডিয়া ফলো করুন।

অনার এক্স সিক্স-ই (Honor X6e) রিভিউ ও দাম বাংলাদেশ ২০২৬

অক্টোবর ১১, ২০২৬
শেয়ার করুন:

Honor X6e smartphone in Sunrise Gold and Midnight Black colors showing front and back design
বিশাল ব্যাটারির অনার এক্স সিক্স-ই: সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এক নতুন দীর্ঘস্থায়ী অভিজ্ঞতা

 

অনার এক্স সিক্স-ই (Honor X6e) রিভিউ: ৭,৫০০ মিলি-অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির এই ফোনটি কি চব্বিশ হাজার টাকায় সেরা পছন্দ?

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা! কেমন আছেন সবাই? একটা কথা সত্যি করে বলুন তো—আপনার ফোনের চার্জ কি দুপুর হতে না হতেই শেষ হয়ে যায়? সারাদিন পকেটে চার্জার বা হাতে পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে ঘুরে বেড়ানো যে কতটা বিরক্তিকর, তা আমরা সবাই জানি। আপনার এই সমস্যার সমাধান দিতেই বাজারে এসেছে এক নতুন 'ব্যাটারি দানব'। আজ আমরা কথা বলব Honor X6e নিয়ে, যাতে আছে অবিশ্বাস্য ৭,৫০০ মিলি-অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি! মনে হচ্ছে ফোনের ভেতরে আস্ত একটা পাওয়ার ব্যাংকই ঢুকিয়ে দিয়েছে কোম্পানি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু বড় ব্যাটারি থাকলেই কি একটি ফোন ভালো হয়? চব্বিশ হাজার টাকা বাজেটে এটি কি আপনার কষ্টের টাকার সঠিক মূল্যায়ন করবে? এই দীর্ঘ ও বিস্তারিত ইনভেস্টিগেটিভ রিভিউতে আমরা ফোনটির প্রতিটি দিক ব্যবচ্ছেদ করব।

দাম ও প্রিমিয়াম ডিজাইনের আড়ালে আসল সত্য

প্রথমে দামের বিষয়টি পরিষ্কার করা যাক। Honor X6e-এর ৪ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভেরিয়েন্টটির অফিশিয়াল দাম রাখা হয়েছে ২৩,৯৯৯ টাকা। এর সাথে ভ্যাট যুক্ত করলে দামটি ২৪ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। বাজেট ফোনের বাজারে এটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি জায়গা। ফোনটি দুটি আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যাচ্ছে: 'সানরাইজ গোল্ড' এবং 'মিডনাইট ব্ল্যাক'। গোল্ড রঙটি বেশ লাক্সারি ভাইব দেয়।

ফোনটি হাতে নিলে প্রথমেই যে বিষয়টি আপনার নজরে আসবে, তা হলো এর ওজন। অফিশিয়াল স্পেক শিটে এর ওজন ২০৭ গ্রাম বলা হলেও, আমাদের ল্যাব টেস্টে আমরা পেয়েছি প্রায় ২১১ গ্রাম। এই অতিরিক্ত ৪ গ্রামের রহস্য কোম্পানিই ভালো জানে! তবে ৭,৫০০ mAh ব্যাটারি ধারণ করার জন্য ফোনের ওজন একটু বেশি হওয়াটা স্বাভাবিক। ফোনের পেছনের দিকটি ম্যাট ফিনিশড প্লাস্টিকের তৈরি, যা হাতের ছাপ বা স্ক্র্যাচ থেকে ফোনকে রক্ষা করে। যারা ফোন পরিষ্কার রাখতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি দারুণ সংবাদ।

একটি চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই ফোনটি সুইস SGS থেকে ৫-স্টার ড্রপ রেটিং পেয়েছে। এর মানে হলো, প্রায় ৬ ফুট উচ্চতা থেকে শক্ত মেঝের ওপর পড়লেও ফোনটির তেমন কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া IP64 রেটিং থাকায় ধুলোবালি ও বৃষ্টির ছিটা থেকেও এটি সুরক্ষিত।

ডিসপ্লে: ১২০ হার্টজ বনাম এইচডি প্লাস রেজোলিউশন

Honor X6e তে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৬১ ইঞ্চির একটি TFT LCD প্যানেল। এখানে কোম্পানি কিছু জায়গায় খরচ বাঁচানোর চেষ্টা করেছে, যা ব্যবহারকারীদের একটু হতাশ করতে পারে। ২৪ হাজার টাকা বাজেটে যেখানে অনেক ব্র্যান্ড অ্যামোলেড (AMOLED) ডিসপ্লে দিচ্ছে, সেখানে অনার দিচ্ছে সাধারণ এলসিডি। এর রেজোলিউশন মাত্র এইচডি প্লাস (HD+)। সোজা কথায়, আপনি যদি খুব তীক্ষ্ণ বা শার্প ছবি দেখতে চান, তবে এটি আপনাকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারবে না। পিক্সেল ডেনসিটি কম হওয়ায় খুব কাছ থেকে দেখলে পিক্সেলগুলো চোখে পড়তে পারে।

তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে। এই ডিসপ্লেতে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট দেওয়া হয়েছে, যা ফোন ব্যবহারের সময় স্ক্রল বা ট্রানজিশনকে অনেক মসৃণ করে। ১,০১০ নিটস পর্যন্ত ব্রাইটনেস থাকার কারণে কড়া রোদের মধ্যে বাইরে বসেও স্ক্রিন দেখতে কোনো অসুবিধা হয় না। রঙের গভীরতা খুব একটা ভালো না হলেও ব্রাইটনেস লেভেল প্রশংসনীয়। তবে স্ক্রিনের চারপাশে বেজেল বা কালো বর্ডারগুলো বর্তমান সময়ের তুলনায় বেশ মোটা, বিশেষ করে নিচের অংশ বা 'চিন' এরিয়াটি বেশ বড়।

পারফরম্যান্স: হেলিও জি-৮১ আল্ট্রা কি আপনার জন্য যথেষ্ট?

পারফরম্যান্সের কথা বলতে গেলে, এতে আছে মিডিয়াটেক হেলিও জি-৮১ আল্ট্রা (MediaTek Helio G81 Ultra) প্রসেসর। এটি মূলত একটি এন্ট্রি-লেভেল প্রসেসর। চব্বিশ হাজার টাকা দামে এই প্রসেসরটি একটু বেমানান মনে হতে পারে। আনটুটু (AnTuTu) বেঞ্চমার্ক স্কোর আসে প্রায় ৩,৭৭,০০০ এর কাছাকাছি। এর মানে হলো, দৈনন্দিন কাজ যেমন ফেসবুকিং, ইউটিউব দেখা, বা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আপনি কোনো বড় সমস্যার সম্মুখীন হবেন না।

কিন্তু আপনি যদি একজন গেমার হন এবং পাবজি (PUBG) বা জেনশিন ইমপ্যাক্টের মতো ভারী গেম খেলার কথা ভাবেন, তবে এই ফোনটি আপনাকে নিরাশ করবে। ফ্রি ফায়ারের মতো হালকা গেমগুলো সাবলীলভাবে চললেও ভারী গ্রাফিক্সের কাজে ফোনটি স্ট্রাগল করে। ৪ জিবি র‍্যাম বর্তমান সময়ে মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য বেশ কম। যদিও অনার 'র‍্যাম টার্বো' প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও ৪ জিবি ভার্চুয়াল র‍্যাম যোগ করার সুবিধা দিয়েছে, তবুও ফিজিক্যাল র‍্যামের অভাব অনুভূত হয়।

সফটওয়্যারের দিক থেকে ফোনটি অনেক এগিয়ে। এতে একদম লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ১৬ দেওয়া হয়েছে এবং সাথে আছে অনারের নিজস্ব ম্যাজিক ওএস ১০ (MagicOS 10)। এর ইউজার ইন্টারফেস বেশ ক্লিন এবং কাস্টমাইজেশন সুবিধা অনেক। সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের কারণে ব্যাটারি ব্যাকআপ আরও ভালো পাওয়া যায়।

ব্যাটারি ও চার্জিং: বাজারের সেরা ব্যাটারি ব্যাকআপ?

এবার আসি ফোনটির তুরুপের তাসে—৭,৫০০ মিলি-অ্যাম্পিয়ারের দানবীয় ব্যাটারি। সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ফোন চার্জ না দিয়ে অনায়াসে ২ থেকে ৩ দিন পার করে দেওয়া সম্ভব। যারা দীর্ঘ ভ্রমণে যান বা ডেলিভারি পেশার সাথে যুক্ত, তাদের জন্য এটি আশীর্বাদস্বরূপ। অনার দাবি করছে, তাদের ল্যাব টেস্টে পাওয়া ব্যাটারি সক্ষমতা ৭৩২০ মিলি-অ্যাম্পিয়ার, যা মূলত মার্কেট স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ৭৫০০ হিসেবে ব্র্যান্ডিং করা হয়।

  • ব্যাটারি হেলথ: অনার দাবি করছে টানা ৬ বছর ব্যবহারের পরেও ব্যাটারির স্বাস্থ্য ৮০ শতাংশের ওপরে থাকবে।
  • চার্জিং স্পিড: ৪৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এত বড় ব্যাটারি ফুল চার্জ করতে প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় লাগতে পারে।
  • রিভার্স চার্জিং: এটি ৭.৫ ওয়াটের তারযুক্ত রিভার্স চার্জিং সাপোর্ট করে। অর্থাৎ, আপনি চাইলে আপনার ফোনটিকে পাওয়ার ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে অন্য কোনো ছোট গ্যাজেট বা বন্ধুর ফোন চার্জ দিতে পারবেন।

ক্যামেরা ও ভিডিওগ্রাফি: ৫০ মেগাপিক্সেলের লড়াই

ফটোগ্রাফির জন্য Honor X6e এর পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের মেইন সেন্সর। সাথে আছে একটি অক্সিলারি লেন্স এবং এলইডি ফ্ল্যাশ। দিনের আলোতে তোলা ছবিগুলোতে যথেষ্ট ডিটেইল থাকে এবং রঙের ভারসাম্যও প্রাকৃতিক লাগে। পোর্ট্রেট মোডে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার বা বোকেহ ইফেক্ট মোটামুটি নিখুঁতভাবে কাজ করে। ১০৮০পি রেজোলিউশনে ৩০ এফপিএস-এ ভিডিও রেকর্ড করা সম্ভব।

তবে নেতিবাচক দিকগুলো এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। এই ফোনে কোনো আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা নেই। গ্রুপ ছবি বা ল্যান্ডস্কেপ তোলার সময় এর অভাব খুব বেশি অনুভূত হবে। রাতের বেলা বা কম আলোতে ছবির মান বেশ সাধারণ, নয়েজ দেখা যায়। সবচেয়ে বড় আপত্তির জায়গা হলো ৫ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। বর্তমান যুগে যখন সেলফি একটি বড় বিষয়, সেখানে ২৪ হাজার টাকার ফোনে মাত্র ৫ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা অনারের একটি ভুল সিদ্ধান্ত বলেই মনে হয়। এটি দিয়ে ভিডিও কল চালানো গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করার মতো হাই-কোয়ালিটি সেলফি পাওয়া কঠিন।

Honor X6e এর বিস্তারিত টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন টেবিল

ফিচার বিস্তারিত তথ্য
মডেল Honor X6e (অনার এক্স সিক্স-ই)
ব্যাটারি ৭,৫০০ মিলি-অ্যাম্পিয়ার (৪৫ ওয়াট চার্জিং)
প্রসেসর মিডিয়াটেক হেলিও জি-৮১ আল্ট্রা
ডিসপ্লে ৬.৬১ ইঞ্চি TFT LCD, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট
ক্যামেরা ৫০ এমপি রেয়ার + ৫ এমপি সেলফি
অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ১৬, ম্যাজিক ওএস ১০
বডি প্রোটেকশন SGS ৫-স্টার ড্রপ রেটিং, IP64 ধুলো ও পানি রোধক
অডিও ও কানেক্টিভিটি ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক, এফএম রেডিও, ব্লুটুথ ৫.১

অন্যান্য কানেক্টিভিটি ও ফিচার যা আপনাকে জানা উচিত

বর্তমান যুগে ফাইভ-জি একটি আলোচিত বিষয় হলেও, Honor X6e ফোনটি কেবল ফোর-জি (4G) সাপোর্ট করে। এর পাশাপাশি এতে এনএফসি (NFC) নেই, যা দিয়ে ট্যাপ করে পেমেন্ট করা সম্ভব। ইনফ্রারেড বা আইআর ব্লাস্টারও নেই, তাই ফোন দিয়ে টিভি বা এসি রিমোটের মতো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। অডিওর জন্য নিচে একটি সিঙ্গেল স্পিকার আছে যা ৩২০% পর্যন্ত ভলিউম বুস্ট করতে পারে। তবে এটি স্টেরিও স্পিকারের মতো ডিটেইল দিতে পারে না। একটি ভালো দিক হলো, ফোনের পাশেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর দেওয়া হয়েছে যা বেশ দ্রুত কাজ করে। হাইব্রিড সিম স্লট হওয়ার কারণে আপনি হয় দুটি সিম কার্ড অথবা একটি সিম ও একটি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

ভালো ও মন্দ দিকগুলোর সারসংক্ষেপ

  • ✅ বিশাল ব্যাটারি: ৭,৫০০ mAh ব্যাটারি যা দুই দিনের ব্যাকআপ নিশ্চিত করে।
  • ✅ মজবুত বিল্ড: ৬ ফুট ওপর থেকে পড়লেও সুরক্ষিত থাকার SGS সার্টিফিকেশন।
  • ✅ আধুনিক সফটওয়্যার: অ্যান্ড্রয়েড ১৬ এর লেটেস্ট সুবিধা।
  • ✅ IP64 রেটিং: পানির ছিটা ও ধুলোবালি থেকে মুক্তি।
  • ❌ দুর্বল রেজোলিউশন: চব্বিশ হাজার টাকায় কেবল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে।
  • ❌ সেলফি ক্যামেরা: মাত্র ৫ মেগাপিক্সেল যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম।
  • ❌ সীমিত প্রসেসর: ভারী গেমিং বা মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য অনুপযুক্ত।

আমাদের চূড়ান্ত অভিমত: এটি কি আপনার কেনা উচিত?

অনার এক্স সিক্স-ই সবার জন্য নয়। আপনি যদি এমন একজন ব্যবহারকারী হন যার স্মার্টফোনে প্রধান চাহিদা হলো বিশাল ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং টেকসই বিল্ড কোয়ালিটি, তবে এটি আপনার সেরা সঙ্গী হতে পারে। বিশেষ করে যারা গ্রামে থাকেন বা যাদের এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ যায়, অথবা যারা দিনভর ফোনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কাজ করেন, তাদের জন্য এটি চমৎকার।

তবে আপনি যদি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হন, প্রচুর ভালো সেলফি তুলতে চান বা হাই-গ্রাফিক্সের গেম খেলতে পছন্দ করেন, তবে চব্বিশ হাজার টাকা বাজেটে অন্যান্য ব্র্যান্ডের অনেক শক্তিশালী অপশন বাজারে রয়েছে। অনার এই ফোনটিতে ব্যাটারিকে রাজা বানালেও, পারফরম্যান্স আর ডিসপ্লে রাজ্যে কিছুটা আপস করেছে। আপনার অগ্রাধিকার যদি হয় ব্যাটারি আর স্থায়িত্ব, তবে অনার এক্স সিক্স-ই (Honor X6e) নির্দ্বিধায় বেছে নিতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. Honor X6e দিয়ে কি পাবজি (PUBG) খেলা যাবে?
হ্যাঁ, খেলা যাবে তবে কেবল লো বা মিডিয়াম সেটিংসে। স্মুথ এক্সপেরিয়েন্সের জন্য এটি আদর্শ নয়।

২. ফোনটি কি পানিতে ডুবিয়ে ব্যবহার করা যাবে?
না। এটি IP64 রেটিংপ্রাপ্ত, যার মানে এটি কেবল পানির ঝাপটা বা ছিটা সহ্য করতে পারবে। পুরোপুরি পানির নিচে ডুবানো যাবে না।

৩. এর বক্সে কি চার্জার পাওয়া যাবে?
হ্যাঁ, অফিশিয়াল প্যাকেজে ৪৫ ওয়াটের চার্জিং অ্যাডাপ্টার এবং ইউএসবি টাইপ-সি ক্যাবল পাওয়া যাবে।

আজকের মতো এই পর্যন্তই। আমাদের এই মেগা রিভিউটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং পরবর্তী টেক নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আল্লাহ হাফেজ!

Honor X6e রিভিউ-এর বিস্তারিত ভিডিও দেখুন-

ভিডিও সৌজন্যে: TECH TV BSL


মন্তব্যসমূহ